#মোমবাতি


১.
কত শতাব্দী পূর্বের কথা ! রানী ক্লিওপেট্রার স্নান ঘর। এ রানী যে সে রানী নন। নানাবিধ সুগন্ধী ভেষজ মিশ্রিত স্নানাধারে শায়িত তিনি। দাসী হাত ধরে রেখেছে জ্বলন্ত মোমবাতি। টুপ টুপ করে মোম গলে গলে পড়ছে স্নানের জলে। ভাসতে ভাসতে তারা শীতল হয়ে জমাট বেঁধে লেগে যাচ্ছে রানীর শরীরের প্রতিটি রোমকূপে। সময় বাধা পড়ছে সেই মোম দ্বারা রচিত পিচ্ছিল মসৃণ ত্বকে। মোম যে খুব প্রয়োজনীয় এক প্রসাধনী ! নেটে মন দিয়ে ক্লিওপেট্রার অদ্ভূত সব প্রসাধনী দ্রব্য দিয়ে সৌন্দর্য চর্চার এনিমেটেড ভিডিও ক্লিপিং দেখছিল প্রিয়া। কাল এভাবেই নিজেকে সাজাবে যে সে !
২.
রাহুল আর প্রিয়ার পরিচয় ফেসবুকে। দীর্ঘ ছয় মাস ভার্চুয়াল পৃথিবীতে মন দেওয়া নেওয়ার পর আজ ওদের প্রথম সাক্ষাৎ হবে। অফিস থাকে দুজনেরই। তাই আদর্শ সময় হল সন্ধ্যে। পার্লার থেকে রীতিমত সেজেগুজে ওয়াক্স করে এসেছে প্রিয়া। মহানগরীর বুকে ছোট্ট এই রেস্টুরেন্টে ক্যান্ডেল লাইট ডিনার একদম পারফেক্ট ওদের জন্য। নরম গদিওয়ালা চেয়ারে দু'জন দু'দিকে। মাঝে টেবিলের উপর সুদৃশ্য কারুকার্য করা সুগন্ধী মোমবাতি। প্রেমের সুঘ্রাণ বয়ে নিয়ে আসছে ওদের কাছে। মোমবাতি প্রেমের অনুঘটক। ওয়াইনের গ্লাসে চুমুক দিয়ে রাহুলের দিকে তাকিয়ে ভাল লাগার আবেশে ভরে যাচ্ছে প্রিয়ার মন। উফঃ কি চার্মিং রাহুল ! ঠিক যেন তার স্বপ্নের রাজকুমার।
৩.
ঘড়িতে রাত বারোটা। কলকাতা শহরের আনাচে কানাচে জেগে আছে মানুষেরা। আর ঢাকুরিয়ার এই নির্জন ফ্ল্যাটে জেগে আছে ওরা দু'জন। ক্যান্ডেল লাইট ডিনার সেরে ওরা সোজা এসেছে রাহুলের এই ফ্ল্যাটে। মাদক মিশ্রিত ওয়াইনের ঘোরে প্রিয়ার পা টলোমলো। বেডের উপর ধপ করে পড়ে যায় ওর শরীরটা। হাঁটু অবধি লাল শিফনের স্কার্ট এখন আরো উঠে গিয়ে ওর ধবধবে সাদা উরু দৃশ্যমান। এক পলক সেদিকে তাকিয়ে ঠোঁটটা চেটে নেয় রাহুল ওরফে শ্যাম ওরফে ডেভিড ওরফে... ক্যামেরাটা রেডি করে ভিডিও মোড অন করে রাখে। শার্ট প্যান্টটা খুলে এগিয়ে যায় বিছানার দিকে। এহহ একদম নেতিয়ে পড়েছে মেয়েটা। নেহাতই আনকোরা। ওর দু'পায়ের ফাঁকে ঘাঁটি গাড়তে অসুবিধা হওয়ায় বিরক্ত হয় রাহুল। উঠে যায় আলমিরার কাছে। ড্রয়ারে পরে আছে অনেক গুলো মোমবাতি। সাইজ মত একটা বেছে নেয় সে। পা দুটো দু'দিকে যতটা সম্ভব করে আমূল বিঁধে দেয় প্রিয়ার যোনিতে। ঘোর লাগা গলা দিয়ে চিৎকার বেরোয় না ওর। মুখ বাঁধা হয়ে গেছে যে বহুক্ষণ আগেই। বিদ্ধ হতে থাকে প্রিয়া। প্রথমে মোমবাতির দ্বারা। তারপর পরিসর প্রশস্ত হলে রাহুলের পৌরুষে। বাইরে রাত গভীর হতে থাকে। ঘরে জ্বলতে থাকে লাল মোমবাতি। গড়িয়ে পড়ে নরম লাল মোম, নাকি রক্ত ! কে জানত মোমবাতি নামিয়ে আনতে পারে অন্ধকারও !
৪.
রাত ফুরিয়ে সকাল হয়। প্রিয়ার মা চিন্তায় আকুল। কোনো ফোনও তো করেনি সারারাত আজ মেয়েটা। আজ কি তবে নাইট শিফ্ট ছিল ! বেরিয়েছে তো সেই সকালে ! পুজোর ঘরে একটা মোমবাতি জ্বালিয়ে হাত জোড় করেন অসহায় বৃদ্ধা মহিলাটি। ঠাকুর ওকে রক্ষা কোরো। মানুষের বিশ্বাস, ঈশ্বর থাকেন যে আলোর উৎসে !
৫.
মিডিয়া তোলপাড়। খবরের কাগজে লেখালিখি কত ! কল সেন্টারে কর্মরতা বাইশ বর্ষিয়া জনৈক প্রিয়া গুপ্তার সেক্স এম.এম.এস ক্লিপ ফাঁস ! ছেলেটির মুখ দৃশ্যমান নয়। মেয়েটি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার একাউন্টে নিজেই নাকি আপলোড করেছে ক্লিপিং ! কল সেন্টারে কাজ করা... উৎশৃঙ্খল মেয়ে... উচ্ছন্নে যাওয়ার পথ প্রদর্শক... ইত্যাদি প্রভৃতি গেল গেল রবের মধ্যেই প্রিয়া গুপ্তার সুইসাইড নোট লিখে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হওয়ায় আমূল মোড় ঘুরে যায় ঘটনার।
৫.
মুখে কালো ঘোমটা টেনে পথে নামে মিছিল। "প্রিয়া গুপ্তার দোষীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি চাই।" হাতে শ'য়ে শ'য়ে মোমবাতি। কিছু জ্বলে, কিছু নিভে যায় হাওয়ায়। রাত শেষ হয়। দিন গড়ালে রেশও কেটে যায় ঘটনার। রাহুলেরা ধরা পড়ে, ধরা পড়ে না। ভোর হলে পথে ঘাটে নর্দমায় পড়ে থাকে আধপোড়া ক্লান্ত মোমবাতি। কাগজ কুড়ানি মেয়েগুলো মহা খুশি ! জড়ো করে ঘরে নিয়ে যায়। বহুদিন পর সন্ধ্যে বেলা ঘর আলোকিত হবে। আবার পুড়বে মোমবাতি।
৫.
এভাবেই মোমবাতি জ্বলছে সেই কোন আদি যুগ থেকে। সে জানে না তার সৃষ্টি কেন। সে শুধু তার ধর্ম জানে। জ্বলতে থাকা। জ্বালিয়ে রাখা। পুড়তে পুড়তে সব আলো করে রাখা। তবু আমরা মানুষেরা বুদ্ধিমান প্রাণীশ্রেষ্ঠ। এক থেকে বহু করে নিয়েছি তার ব্যবহার। এই আপনি যখন পড়ছেন এর ব্যবহারের নানান দিকগুলি তখনই কোনো মোমবাতি সেলিব্রেট করছে অতুল আর পূজার প্রথম বিবাহ বার্ষিকী। কোনো মোমবাতি আবার লাল বাতির দুনিয়ায় বিদ্ধ করছে পাঁচ বছরের মিতুলের অপূর্ন যোনি। তো আবার মোমবাতি জ্বালিয়ে কোনো এক মা প্রার্থনা করছে তার মেয়ের নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরার। সেই মোমবাতিই হয়ত আবার পথে নেমে পড়বে আজ রাতে প্রতিবাদের মুখ হয়ে। কবরে পুড়বে কোনো মোমবাতি মৃত আত্মার শান্তি কামনায়। কিন্তু আর কত ? আর কতগুলো মোমবাতি পুড়লে তবে শেষ হবে ভূত চতুর্দশীর রাত ! তবে আসবে দীপাবলি !
তাই এই এত মোমবাতির ভিড়ে যদি একটা মোমবাতি কেউ জ্বালিয়ে নিতে পারি নিজের মনের অন্ধকারে, একজনও যদি পারি আমাদের গভীরে থাকা অন্ধকারে ডুব দিয়ে একটা মোমবাতি পুঁতে দিতে, তাহলেই আর কোনো বাইরের মোমবাতির দরকার পড়বে না। সেই একটা শিখাই হাজার থেকে কোটি কোটি হয়ে ছড়িয়ে পড়বে কোণায় কোণায়।
তাই দেখি না আজ থেকে আমরা পারি কিনা ? শুধু জ্বালাতে মোমবাতি ? পোড়াতে নয়...
সমাপ্ত

দু তরফা



আমার আকাশে আজ দুরন্ত মেঘ মল্লার,
ব্যস্ততার তফসিল তুড়ি মেরে উড়িয়ে
শহরটা ভিজছে লাগাতার।
বর্ষাতি ঝরাচ্ছে টপটপ জল,
সিগন্যাল বোর্ডের আলসেমী ইশারা—
ট্রাফিকের কনভয় করেছে অচল।
ফোনের স্পিকারে বাজে প্রিয় রিংটোন;
আলগা বুকে রেখে নরম চিবুক
লিভিং রুমের সোফায় সুখী গৃহকোণ।
বুড়ো সব্জিওয়ালাটা আজও তো রাস্তায়,
ছুটির রেজিস্টারে উহ্য ওদের নাম—
ওরা যে দিন আনে দিন খায়।
হেরে যাওয়া প্রেম পুড়ছে একা,বৃষ্টি সাক্ষী আছে
‘ব্যর্থ প্রেমিক’ তকমা জুটিয়ে যৌবন
হচ্ছে ঋণী নিকোটিনের ঝাঁঝালো সুখের কাছে।
বছর বারোর কাজের মেয়েটা ছিড়ছে চটিজুতো,
আকাশ ছোঁয়া কংক্রিট ছিটায় জল-কাদা,
কিছু গল্প খুঁজে পায় না বিরতির ছুতো।
বোবা ফুটপাতে সংসার উদ্বাস্তু ছাউনির—
মাথা গুঁজেছে আজ অট্টালিকার উচ্ছিষ্টে,
ক্ষতিপূরণ পায় না ওদের নষ্টনীড়!
জানিস কি বর্ষা—তোর আদলেও দু তরফা দিক,
কেউ পায় স্মৃতির পেয়ালায় ডোবার মরশুম
কারো কাছে শুধুই কয়েকটা স্যাঁতসেতে তারিখ।।


   ..................................................................পায়েল খাঁড়া

অধরা বৃষ্টি


-কাইনাজ ইসলাম 



তুমি আমার খুব কাছে এসে বসেছিলে,
ছুয়ে ছিলে না ছোঁয়া বিবর্ণ মুহুর্তগুলো।
সোনালী রোদ্দুরে যেমন ফড়িং এসে বসে পাতার ছাদে,
তুমিও এসে বসেছিলে আমার খুব কাছে।
এতটাই কাছে যে তোমার ভেতরে ছিলাম আমি,
আর আমার ভেতরে তুমি।
রাত্রি তখনো অনেক দূরে।
তখন সবে গোধূলি নেমেছিল পৃথিবীর বুকে।
তুমি পুরুষের স্বপ্নমাখা থলে থেকে বের করে বাড়িয়ে দিয়েছিলে_ একখানা আবেগ ভরা খোলা চিঠি।
সাদা আকাশের গায়ে নীল রঙের বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিলো "মনের গভীরের থেকে গভীরে আছো তুমি।"
সেদিন বৃষ্টি আসবো বলেও আসেনি,
তুমি বারবার ভিজতে চাইছিলে।
পাগল...
পাগলটার পাগ্লামি খুব বেশি।
সেদিন কোনো অজুহাতেই তোমার জন্য বৃষ্টি কিনে আনতে পারিনি।
তুমি আমার খুব কাছে এসে বসেছিলে।

আজ মেঘ ভর্তি আকাশ,
ঝিরিঝিরি বৃষ্টির জলকণায় আঁখি নদীর বান ভেসে যায়।
তুমি আসবো বলেও আসোনা,
তাই প্রতিবার তোমার ভিজে বাড়ি ফেরার ইচ্ছেটা অধরাই রয়ে যায়।
তুমি পুড়ে যাও অনবরত চিতার আগুনে।
তুমি আমার খুব কাছে এসে বসেছিলে।
অথচ তোমার আঙুল ধরে রাস্তা টুকু পার করে দিয়ে আসতে পারিনি।
ভিজিয়ে দিতে পারিনি তোমার তৃষ্ণার্ত মরুদেশের কাদামাটির স্বপ্নপথ।
যে পথ তোমার রক্তমাখা আলতা পায়ে এগিয়ে যায় তোমার বাড়ির দরজা অবধি।
তুমি আমার খুব কাছে বসেছিলে।

নারী রেমিটেন্স


ফয়সাল আহমেদ।

লক্ষকোটি নারীর সম্ভ্রমে
ক্রয় করা এই দেশ
তবু কেন আজ দেশের তরে
নারী হয় রেমিটেন্স?
সবুজ দেশের সবুজ পতাকা
মাঝখানে তার লাল
প্রবাস জীবন নিয়েছো বেছে
জীবন করেছো কাল।
স্বামীর সোহাগ মায়া মমতা
সকল বন্ধন ছাড়ি,
অচল সংসার করতে সচল
দিয়েছো বিদেশ পাড়ি।
প্রতিটি সেকেন্ড মিনিট কাঁটে
নির্মম কষাঘাতে,
তবুও রাত কেঁটে আসে ভোর
ভাসো স্বপ্ন সুখের স্রোতে।
নিজেকে কখনো দিয়েছো বলি
তপ্ত মরুভূমির চড়ে
শুভ্র আঁচল উড়ে চলে যায়
নির্লজ্জ বালির ঝড়ে।
রাজ প্রাসাদের রঙ্গমন্চে
রঙ্গীন গালিচা পরে
নিজেকে তুমি দিয়েছো সপে
একটু সুখের তরে।
অসহায়ত্ব আজ বন্দী খাঁচায়
ঢুকরে কাঁদে মন
তোমারে তুমি নিঃশ্বেষ করে
সজ্জিত করো পণ।
বিবেকের দ্বার খুলবে কবে
কবে আসবে জাতির সেন্স,
দিব্যি আমরা গিলছি যখন
নারীর রেমিটেন্স?

কুয়াশা পোড়া মঞ্জরী


দেবপ্রসাদ বসু
বরের সাথে ছাড়াছাড়ি
বোনকে বিয়ে করেছে বলে,
আবার বরের জ্বর হলে ছুটে যায়,
বোঝা দায় তার ইচ্ছার অভিপ্রায়।
গ্রাম থেকে শহরে এসে
বাড়ি বাড়ি বাসন মেজে খায়,
দিনের হাসি গোপনে মিশিয়ে দেয়
রাতের নিরালা অসহায় কান্নায়।
সব আছে অথচ কিছু নেই
কি দোষ দেবে কতইবা কাকে,
মায়ের পেটের বোন যদি এই হয়
পরের ছেলে হলেও থাকে না কি স্বামীদায়!
তবে কেন এত মায়া! নাকি মোহ লোভ
এখনো খেলে মায়ামৃগ মনে!
কে জানে কি আছে ঘুমন্ত সুপ্ত সাধে
সাধ্যের অতীত প্রাণবন্ত সংসার সাধনায়।
ওদিকে বাতাসে অনবরত উড়ে যায়
নারীমুক্তি সমাজ সংস্কার পাশ্চাত্যের
নারী আন্দোলন কতিপয় নারীর
কথা ভেবে এই সমাজের কোনায় কোনায়।
মানবতা! তারও কদর আছে সমাজে
সবার জন্য তা সমান মাপে বিতরিত নয়,
অর্থনৈতিক পরাধীনতা প্রেম দায় দায়িত্ব
এসব অঙ্গাঙ্গী জড়িত বৈষম্যের কাঠগড়ায়।

* আজও খুঁজে চলেছি ****


###সুনীল সরকার
শ্যাওলা জমা পাটকিলে রঙের
বন্ধন যাবে ছিঁড়ে একদিন।
সম্পর্কের ঠুনকো বেড়াজাল
কাচের মতো ভেঙেচুড়ে হবে চুরমার।
মেকি ভদ্রতার মুখোশ খুলে
বেরিয়ে পড়বে দাঁতাল মুখ।
শুধু ক্ষমতায়নটাই প্রধান আলোচ্য বিষয়।
অন্ধ আইনের দাঁড়ি পাল্লাটা
একদিকে কাত হয়ে রায়টা জানিয়ে দেবে।
বারুদ পিন্ড হাতে ছুটবে দুদল
নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে।
নিজেদের সত্তা সুদৃঢ় করতে।
বিশ্বাস হারিয়ে যাবে অবিশ্বাসের অতল গহ্বরে ।
আমি মন খুঁজে চলেছি ,
একটা মানুষ খুঁজে চলেছি ,
স্নিগ্ধ সতেজ সত্য সুন্দরে গড়া
একটি সমাজ খুঁজে চলেছি ।

ইচ্ছে

এম এম মেহেরুল

আমি বক হবো--!
সাদা পালকে ঢাকা ধবল বক?
উড়তে ইচ্ছে হলে উড়ে যাবো,
দিক বিদিক ছাড়িয়ে যেখানে খুশি, যেখানে ইচ্ছে।
ডানা ঝাপটিয়ে বিল-ঝিল,নদী-নালা ঝাউবন থেকে সাগর, মহাসাগর পাড়ি দেবো--
যেমন ইচ্ছে তেমন করে।
খোলস ছেড়ে মুক্ত বিহঙ্গের মতো--!
উড়ে যাবো দু-চোখ যেদিক চায়।
উড়াল দেবো অসীম আকাশ পানে শুভ্রতার খোজে,
পালকে উড়ে আকাশের শুভ্রতা তুলে এনে ছড়িয়ে দেবো জগতময়।
যেখানে ইচ্ছা বসবো, জিরোবো ফের উড়াল দেবো।
ভয় ডর সব ছাপিয়ে পাড়ি দেবো মহাদেশ।
আমি বক হবো--?
সাদা ধবধবে পালক পুষ্ট বক হবো।
একা একা উড়বো, যখন ইচ্ছে উড়বো,
দল বেধে উড়বো, পুব থেকে পশ্চিমে, দক্ষিন থেকে উত্তরে।
আড়াআড়ি ভাবে উড়বো যেন জগতের একবিন্দুও দৃষ্টি থেকে বাদ না পড়ে--:
উড়তে উড়তে অসীম নীলিমায় গা ঢাকা দেবো।
আমি বক হবো--!
সাদা ধবল বক হবো---?

♣♣ মূলকথা ♣♣


““““”””””““””“”““““““““““““““
শ্রীস্বদেশ সাধক সরকার 
“““””””””””””””””””””””““““““““““
যখন তখন যেখানে সেখানে
খবর প্রায় রোজ দিনে
দু‘ঘটনা চলে রাস্তাঘাটে
 দুঃখ বহে সবার সাথে ।
এ ঘটনা কেন ঘটে
চিন্তা ভাবনা সব চলে
নিয়ম বিধি নিত্য রচে
সমাধান হয় কোন পথে ।
লাল হলুদ সবুজ
প্রাণ তবু অবুঝ
যেতে হবে আগে
বিধি কে মানে!
গতি চাবি হোক বাঁধা
আলো জ্বেলে নয় সমাধা
চেতনা গতি মূল কথা
আইনী প্রথা মাথায় রাখা ।

পুন্য


পায়েল খাঁড়া

মন্দিরের দানপেটিতে দু-হাজা্রের দশটা কড়কড়ে নোট ফেলে পেল্লাই একখান প্রনাম ঠুকলেন মহিতোষবাবু।
মন্দিরের সিঁড়িতে ভিখারীদের লাট।তাদের মাঝে এক বৃদ্ধ কাঁপা হাতে বাঁড়িয়ে দিলেন ভিক্ষের ঝুলিটা।সন্ধ্যাপ্রদীপের আলোয় একঝলক দেখা গেল ভিখারীটার রুগ্ন মুখের আদল হুবহু মিলে যায় মহিতোষবাবুর সাথে।

♣♣ বৃষ্টি ♣♣


“““”“”””““““““““““““““’““
শ্রীস্বদেশ সাধক সরকার
“““””””““ ““““““““” ”””“““““““
রাতের বেলা
দমকা হাওয়া
বৃষ্টির ঝাপটা
জানালা লাগা ।
আবহাওয়া গরম
দহরম মহরম
আচমকা সে
এলো ঝাঁপিয়ে ।
নরম মন
প্রান চনমন
রাতের মতন
বৃষ্টি আগমন ।
নীরবে অঝোরে
সারারাত ধরে
ঝামেলা না করে
সুখী সব গৃহকোণে ।
““”””””””””””“““““““““““““


ডাকটিকিট বা স্টাম্প

ডাকটিকিট বা  স্টাম্প                                                        পৃথিবীতে প্রথম কি ভাবে প্রচলন হলো আর কেমন ছিলো  *********...