। বাকি থাক।

আর্যতীর্থ

সবকথা লিখে ফেলো না।
যে লোকটা কবিতা পড়েনি, তার জন্য দু একটা লেখা কলমকোণায় জমা থাক,যদি কাজে লাগে!
যদি কোনোদিন , মেঘডাকা সন্ধেতে তার কৈশোর জাগে,
হিসেবখাতার পাতা আপাতত মুড়ে রেখে তাকায় আকাশে,
আলগোছে ভেসে থাকা মেঘের সকাশে এসে মন যদি হঠকারী হতে চায় অচেনা আবেগে,
হয়তো সে সব কথা অযাচিত হয়ে তার মনে এসে যাবে।
সব কথা বুঝিয়ে বোলো না, অবোধ্য মুহূর্ত কিছু রেখে দিও তোমার দুহাতে।
যে লোকটা কবিতা বোঝে নি, কিছুটা সময় নিয়ে তলিয়ে ভাবতে দিও তাকে।
যদি পথে যেতে যেতে থমকে দাঁড়িয়ে, কখনো সে দেখে ফেলে যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে কেমন ওড়ায় ধ্বজা একলা রাস্তাধারে কৃষ্ণচূড়া ,
হয়তো বিষয়ী মন হঠাৎ ফেলবে বুঝে কি কথা বলতে চেয়ে তার কাছে নতজানু হয়েছিলো কবি।
সব কথা ছন্দে গেঁথো না, কিছু কথা অগোছালো থাক, ভেসে যাক খেয়ালী হাওয়ায়।
 যে লোকটা কবিতাকে ছন্দ ভেবেছে, তার ভুল ভেঙে দিতে শব্দরা বিদ্রোহী হোক।
যদি মাত্রার হিসেবের ভুলে ভরা কোনো রচনাকে নিতান্ত হেলাফেলা করে হাতে নিতে গিয়ে সে ছান্দসিক তড়িৎস্পৃষ্ট হয় শব্দের বাঙ্ময়তায়,
হয়তো তখন সে সত্যি রসিক হয়ে মজে যাবে স্রেফ কবিতায়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ডাকটিকিট বা স্টাম্প

ডাকটিকিট বা  স্টাম্প                                                        পৃথিবীতে প্রথম কি ভাবে প্রচলন হলো আর কেমন ছিলো  *********...