প্রেমানুভূতি
-----------------সায়ন্তনী
অষ্টাদশীর প্রেমানুভূতির প্রথম দেখা পেলাম সেদিন।অদ্ভুত সুন্দর, মিষ্টি মধুর এক সুখানুভূতি । কিন্তু ঠিক বোঝাতে পারব না বন্ধু দের ।সবাই যে কি ভাববে কে জানে!!!!
মা-বাবার সাথে যাচ্ছিলাম মাসির বাড়ি ভূবনেশ্বর ।ধৌলি এক্সপ্রেসের এসি টিকিট ছিল আমাদের ।কিন্তু দুঃখের বিষয় এক জায়গায় তিনজনের সিট পড়ে নি ।আমার সিট টা একটু দূরে ছিল, তাও জানলার ধারে নয় বলে একটু মুড টা অফ্ ছিল ।যাইহোক নিজের মোবাইল টা খুলে কানে হেডফোন টা গুজতে যাব, এমন সময় পাশে বসা ভদ্রলোক টি বলল, " আপনি চাইলে জানলার ধারে বসতে পারেন "।আমি একটু অবাক হয়ে তার দিকে তাকালাম, দেখি এ তো লোক নয় , এক হ্যান্ডসাম সুপুরুষ।বয়স কম বলেই মনে হল।মুখে একটা হালকা ছোঁয়া হাসি ।আমার উত্তরের অপেক্ষা না করে "ও" উঠে পড়ল।আমিও উঠে সিট টা চেঞ্জ করে জানলার ধারে বসে ধন্যবাদ জানালাম।
কিছুক্ষণ বাইরের দৃশ্য দেখার পর হঠাৎই দুজনে একসাথে জিগ্যেস করে উঠলাম, " আপনি কোথায় যাচ্ছেন? "বলেই দুজনে হেসে ফেললাম খিলখিল করে ।আমি জানালাম ভূবনেশ্বর নামব ।সে বলল, "তাই নাকি? আমিও তাই ।তা বেড়াতে বুঝি? "বললাম "হ্যাঁ মাসির বাড়ি যাচ্ছি "।জানলাম সে ও যাচ্ছে একটা বিশেষ কাজে, ওর পিসির বাড়ি।আগেই বাবা-মা পৌঁছে গেছেন ।ও কাল রবিবারের কাজ টা সেরে চলে যাবে ।কোলকাতায় কোথায় বাড়ি কি করে, আমি কি পড়ি,কোথায় থাকি, এছাড়া টুকটাক গল্প চলতেই থাকল ।
জানিনা কেন, কিছুক্ষণ চুপ থাকলেই কেমন যেন ছটফট করছিলাম কথা বলার জন্য ।সেটা কাটাতে বাইরের দৃশ্য দেখতে থাকলাম ।ছেলেটি গান শুনছিল, হঠাৎই হেডফোনের একটা তার আমার কানে গুজে দিয়ে বলল "গানটা শোন, কি সুন্দর "।আমিও শুনতে থাকলাম ।মনে হল যেন কতদিন ধরে চিনি আমরা দুজন দুজনকে ।যেতে যেতে টুকটাক খাওয়া দাওয়া চলতে থাকল, আর জানলাম ও নাকি খুব বেড়াতে ভালোবাসে ।কত জায়গার ছবি দেখালো, গল্প বলল ।আমি মোহিত হয়ে শুনছিলাম ।বেশ লাগছিল, সময়টা কি করে কেটে গেল বুঝলাম না ।
দেখতে দেখতে কটক চলে এল। বলল , "আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ভূবনেশ্বর এসে যাবে "।কথাটা শুনেই বুকের ভেতর টা কেমন ফাঁকা অনুভূত হতে লাগল ।নামতে ইচ্ছা করছিল না যেন ।কিন্তু কেন? তা কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না।যাইহোক নামার আগে ফোন নং আদান প্রদান করলাম।তারপর যে যার মত নেমে গেলাম ।
মাসির বাড়ি পৌঁছে স্নান করে খেয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম।কিন্তু কি জানি কেন, কিছুতেই ঘুম এলো না।উঠে জল খেতে ডাইনিং এ যেতে গিয়ে মা আর মাসির কিছু কথা কানে এল ।মনে হল পরদিন রবিবার কেউ বোধহয় আসবে ।তাই আলোচনা চলছে ।সোজা ঘরে গিয়ে জানতে চাইলাম "কারা আসবে গো মাসিমনি?"মাসি বলল, "বোস এখানে বলছি।আমার এক বান্ধবী তার দাদা-বৌদি কে নিয়ে আসবে ।তোকে দেখতে "।আমি একটু অবাক আর বিরক্ত হয়ে বললাম, "দেখতে মানে?কি মতলব বলতো তোমাদের? আমি সেজেগুজে বসতে পারব না কারোর সামনে বলে দিলাম।"ব্যাস, মা মাসি সবাই বোঝাতে লাগল, "ছেলে খুব ভালো রে, চেনা জানার মধ্যে, একবার দেখনা,ভালো না লাগলে কেউ জোর করবে না তোকে "।এরপর কিছু বলার থাকেনা ।কিন্তু মনটা কেন যে খচখচ করছে কে জানে।যাইহোক, পরদিন দুপুরে খেয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে একটা শাড়ি পড়ে নিলাম ।চুলটা ছেড়ে একটা টিপ পড়ে আয়নার সামনে দাঁড়াতেই পিছন থেকে কে যেন বলে উঠল, "মিষ্টি লাগছে"।পেছনে তাকাতেই যেন ভ্যানিস।কেউ নেই তো ।তবে কি ভুল শুনলাম!!
ওরা এসে গেছে ।শুনেই কেমন যেন একটা অনুভূতি হল হৃদয়ে ।মাসি আমায় ওদের সামনে নিয়ে গেলে, বড়দের প্রণাম করলাম ।একি! !!পাশে ওটা কে বসে? কালকের ঐ ছেলেটা না? হ্যা তো অভি ই তো ।দুজনেই অবাক হয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম।কিন্তু কেউ কিছুই বুঝল না ।আমার সারা শরীরে বিদ্যুতের ঝিলিক প্রবাহিত হল যেন ।কোন কথা কানে ঢুকছিল না ।মাথা নীচু করে চুপ করে বসে ছিলাম।নিজের অজান্তেই ওদের সব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলাম ।হঠাৎই মাসির বান্ধবী বলল, " ওদের নিজেদের মধ্যে একটু কথা বলতে দে "।বলেই আমাকে আর অভিকে পাশের ঘরে চালান করে দিল ।দুজনে আজ মুখোমুখি বসে আছি, কিন্তু কিছুই বলতে পারছিনা যেন ।হঠাৎই অভি বলে বসল,------
" আমি তোমাকে চাই,
তুমি কি আমার হবে?
শয়নে-স্বপনে , জাগরণে
বক্ষমাঝেই রবে।"
ওর দিকে তাকিয়ে চোখে চোখ রেখে বলে দিলাম আমার সদর্থক উত্তর ।ও বুঝল কিনা জানিনা, বোধহয় বুঝেছে ।তাই বলল, "তোমার নীরবতা আমার কাছে সম্মতি "।এখন কিছু বলতে হবে না ।রাতে হোওয়াটস আপে জানিও ।" আমার মন ময়ূরী পেখম মেলে ধরল যেন ।একটা সুখানুভূতির আবেশে মনটা ভরে গেল।ওরা চলে গেলে, সবাই কত কি জিগ্যেস করছিল আমায়,আমি জবাব দেব কি, ঘোরই কাটছে না, এমন ও হয়?এত ভালো কেন লাগছে? তবে কি আমি এটাই চাইছিলাম? এটাকে কি প্রেম বলে? কে দেবে এর উত্তর? ইস্ কি সব ভাবছি আমি ।ধ্যাত আর ভাবব না।কিন্তু ভাবব না বললেই চলে না, ঠিক তখনি হোয়াটসআপে ম্যাসেজ এল, অভি লিখেছে,--
" তুমি আমার স্বপ্নের সেই রাজকন্যে
ছিলে, আছো,থাকবে আমার এই মনে
তোমার যদি কিছু বলার আজ থাকে,
বলে ফেলো নির্দ্বিধায় এই শুভক্ষণে।"
অভির এই ছোট্ট ছোট্ট কবিতার জবাব গুলো আমার ও ছন্দে দিতে মন চাইছিল । কিন্তু আমি যে কবিতা লিখতে পারি না ।কি লিখি ভাবতে ভাবতে কটা লাইন লিখেও ফেললাম।
"তোমার স্বপ্নপুরীর রাজকন্যে
অপেক্ষাতে রয়
তুমিও যে তার স্বপ্ন পুরুষ
করলে মন জয়।"
ওপার থেকে জবাব এল, ---
" এলো বলে, রাজপুত্র
পক্ষীরাজের ঘোড়ায় চড়ে
রাজকন্যে, তৈরী থেকো,
নেবে তোমায় আপন করে "।
এই রকম কবিতার ঝড় উঠল যেন ।আমি যেন ভেসে যেতে লাগলাম এক অজানা সুখ সাগরে ......উথাল পাতাল ঢেউ গুলো আমায় ভিজিয়ে দিতে লাগল অবিরত ।আমি ভিজলাম, ডুবলাম,মনের সুখে ।এ এক অনন্য অনুভূতি ,এখনো ভাবলে শিহরণ জাগে ।
তারপর?
তারপর যা হল, বলব কেন তোমাদের? বলব না যাও ।হি হি হি ........
-----------------সায়ন্তনী
অষ্টাদশীর প্রেমানুভূতির প্রথম দেখা পেলাম সেদিন।অদ্ভুত সুন্দর, মিষ্টি মধুর এক সুখানুভূতি । কিন্তু ঠিক বোঝাতে পারব না বন্ধু দের ।সবাই যে কি ভাববে কে জানে!!!!
মা-বাবার সাথে যাচ্ছিলাম মাসির বাড়ি ভূবনেশ্বর ।ধৌলি এক্সপ্রেসের এসি টিকিট ছিল আমাদের ।কিন্তু দুঃখের বিষয় এক জায়গায় তিনজনের সিট পড়ে নি ।আমার সিট টা একটু দূরে ছিল, তাও জানলার ধারে নয় বলে একটু মুড টা অফ্ ছিল ।যাইহোক নিজের মোবাইল টা খুলে কানে হেডফোন টা গুজতে যাব, এমন সময় পাশে বসা ভদ্রলোক টি বলল, " আপনি চাইলে জানলার ধারে বসতে পারেন "।আমি একটু অবাক হয়ে তার দিকে তাকালাম, দেখি এ তো লোক নয় , এক হ্যান্ডসাম সুপুরুষ।বয়স কম বলেই মনে হল।মুখে একটা হালকা ছোঁয়া হাসি ।আমার উত্তরের অপেক্ষা না করে "ও" উঠে পড়ল।আমিও উঠে সিট টা চেঞ্জ করে জানলার ধারে বসে ধন্যবাদ জানালাম।
কিছুক্ষণ বাইরের দৃশ্য দেখার পর হঠাৎই দুজনে একসাথে জিগ্যেস করে উঠলাম, " আপনি কোথায় যাচ্ছেন? "বলেই দুজনে হেসে ফেললাম খিলখিল করে ।আমি জানালাম ভূবনেশ্বর নামব ।সে বলল, "তাই নাকি? আমিও তাই ।তা বেড়াতে বুঝি? "বললাম "হ্যাঁ মাসির বাড়ি যাচ্ছি "।জানলাম সে ও যাচ্ছে একটা বিশেষ কাজে, ওর পিসির বাড়ি।আগেই বাবা-মা পৌঁছে গেছেন ।ও কাল রবিবারের কাজ টা সেরে চলে যাবে ।কোলকাতায় কোথায় বাড়ি কি করে, আমি কি পড়ি,কোথায় থাকি, এছাড়া টুকটাক গল্প চলতেই থাকল ।
জানিনা কেন, কিছুক্ষণ চুপ থাকলেই কেমন যেন ছটফট করছিলাম কথা বলার জন্য ।সেটা কাটাতে বাইরের দৃশ্য দেখতে থাকলাম ।ছেলেটি গান শুনছিল, হঠাৎই হেডফোনের একটা তার আমার কানে গুজে দিয়ে বলল "গানটা শোন, কি সুন্দর "।আমিও শুনতে থাকলাম ।মনে হল যেন কতদিন ধরে চিনি আমরা দুজন দুজনকে ।যেতে যেতে টুকটাক খাওয়া দাওয়া চলতে থাকল, আর জানলাম ও নাকি খুব বেড়াতে ভালোবাসে ।কত জায়গার ছবি দেখালো, গল্প বলল ।আমি মোহিত হয়ে শুনছিলাম ।বেশ লাগছিল, সময়টা কি করে কেটে গেল বুঝলাম না ।
দেখতে দেখতে কটক চলে এল। বলল , "আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ভূবনেশ্বর এসে যাবে "।কথাটা শুনেই বুকের ভেতর টা কেমন ফাঁকা অনুভূত হতে লাগল ।নামতে ইচ্ছা করছিল না যেন ।কিন্তু কেন? তা কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না।যাইহোক নামার আগে ফোন নং আদান প্রদান করলাম।তারপর যে যার মত নেমে গেলাম ।
মাসির বাড়ি পৌঁছে স্নান করে খেয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম।কিন্তু কি জানি কেন, কিছুতেই ঘুম এলো না।উঠে জল খেতে ডাইনিং এ যেতে গিয়ে মা আর মাসির কিছু কথা কানে এল ।মনে হল পরদিন রবিবার কেউ বোধহয় আসবে ।তাই আলোচনা চলছে ।সোজা ঘরে গিয়ে জানতে চাইলাম "কারা আসবে গো মাসিমনি?"মাসি বলল, "বোস এখানে বলছি।আমার এক বান্ধবী তার দাদা-বৌদি কে নিয়ে আসবে ।তোকে দেখতে "।আমি একটু অবাক আর বিরক্ত হয়ে বললাম, "দেখতে মানে?কি মতলব বলতো তোমাদের? আমি সেজেগুজে বসতে পারব না কারোর সামনে বলে দিলাম।"ব্যাস, মা মাসি সবাই বোঝাতে লাগল, "ছেলে খুব ভালো রে, চেনা জানার মধ্যে, একবার দেখনা,ভালো না লাগলে কেউ জোর করবে না তোকে "।এরপর কিছু বলার থাকেনা ।কিন্তু মনটা কেন যে খচখচ করছে কে জানে।যাইহোক, পরদিন দুপুরে খেয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে একটা শাড়ি পড়ে নিলাম ।চুলটা ছেড়ে একটা টিপ পড়ে আয়নার সামনে দাঁড়াতেই পিছন থেকে কে যেন বলে উঠল, "মিষ্টি লাগছে"।পেছনে তাকাতেই যেন ভ্যানিস।কেউ নেই তো ।তবে কি ভুল শুনলাম!!
ওরা এসে গেছে ।শুনেই কেমন যেন একটা অনুভূতি হল হৃদয়ে ।মাসি আমায় ওদের সামনে নিয়ে গেলে, বড়দের প্রণাম করলাম ।একি! !!পাশে ওটা কে বসে? কালকের ঐ ছেলেটা না? হ্যা তো অভি ই তো ।দুজনেই অবাক হয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম।কিন্তু কেউ কিছুই বুঝল না ।আমার সারা শরীরে বিদ্যুতের ঝিলিক প্রবাহিত হল যেন ।কোন কথা কানে ঢুকছিল না ।মাথা নীচু করে চুপ করে বসে ছিলাম।নিজের অজান্তেই ওদের সব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলাম ।হঠাৎই মাসির বান্ধবী বলল, " ওদের নিজেদের মধ্যে একটু কথা বলতে দে "।বলেই আমাকে আর অভিকে পাশের ঘরে চালান করে দিল ।দুজনে আজ মুখোমুখি বসে আছি, কিন্তু কিছুই বলতে পারছিনা যেন ।হঠাৎই অভি বলে বসল,------
" আমি তোমাকে চাই,
তুমি কি আমার হবে?
শয়নে-স্বপনে , জাগরণে
বক্ষমাঝেই রবে।"
ওর দিকে তাকিয়ে চোখে চোখ রেখে বলে দিলাম আমার সদর্থক উত্তর ।ও বুঝল কিনা জানিনা, বোধহয় বুঝেছে ।তাই বলল, "তোমার নীরবতা আমার কাছে সম্মতি "।এখন কিছু বলতে হবে না ।রাতে হোওয়াটস আপে জানিও ।" আমার মন ময়ূরী পেখম মেলে ধরল যেন ।একটা সুখানুভূতির আবেশে মনটা ভরে গেল।ওরা চলে গেলে, সবাই কত কি জিগ্যেস করছিল আমায়,আমি জবাব দেব কি, ঘোরই কাটছে না, এমন ও হয়?এত ভালো কেন লাগছে? তবে কি আমি এটাই চাইছিলাম? এটাকে কি প্রেম বলে? কে দেবে এর উত্তর? ইস্ কি সব ভাবছি আমি ।ধ্যাত আর ভাবব না।কিন্তু ভাবব না বললেই চলে না, ঠিক তখনি হোয়াটসআপে ম্যাসেজ এল, অভি লিখেছে,--
" তুমি আমার স্বপ্নের সেই রাজকন্যে
ছিলে, আছো,থাকবে আমার এই মনে
তোমার যদি কিছু বলার আজ থাকে,
বলে ফেলো নির্দ্বিধায় এই শুভক্ষণে।"
অভির এই ছোট্ট ছোট্ট কবিতার জবাব গুলো আমার ও ছন্দে দিতে মন চাইছিল । কিন্তু আমি যে কবিতা লিখতে পারি না ।কি লিখি ভাবতে ভাবতে কটা লাইন লিখেও ফেললাম।
"তোমার স্বপ্নপুরীর রাজকন্যে
অপেক্ষাতে রয়
তুমিও যে তার স্বপ্ন পুরুষ
করলে মন জয়।"
ওপার থেকে জবাব এল, ---
" এলো বলে, রাজপুত্র
পক্ষীরাজের ঘোড়ায় চড়ে
রাজকন্যে, তৈরী থেকো,
নেবে তোমায় আপন করে "।
এই রকম কবিতার ঝড় উঠল যেন ।আমি যেন ভেসে যেতে লাগলাম এক অজানা সুখ সাগরে ......উথাল পাতাল ঢেউ গুলো আমায় ভিজিয়ে দিতে লাগল অবিরত ।আমি ভিজলাম, ডুবলাম,মনের সুখে ।এ এক অনন্য অনুভূতি ,এখনো ভাবলে শিহরণ জাগে ।
তারপর?
তারপর যা হল, বলব কেন তোমাদের? বলব না যাও ।হি হি হি ........
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন