ওড়া

আর্যতীর্থ

ভাবছি আজকে ভাবনাগুলো গুছাবো না,
উড়তে থাকুক মাঝআকাশে যেমনটি চায়
ফিরতে বলে শীতলপাটি বিছাবো না
দেখি কত জোর রয়েছে ইচ্ছেডানায়
চিন্তারা সব মিইয়ে গেছে কেমন যেন
ঘুরে বেড়ায় জানা পথের ঘেরাটোপে
সংসারী মন পোষ মেনে যায় এমন কেন
বকমবকম করে বসে একই খোপে।
ঘর বা অফিস আর বাচ্চার স্কুল বড়জোর
সেসব ঘিরেই ভাবনাগুলোর কুটকচালি
টেলিভিশন গেলা বসে সোফার ওপর
নিউজ দেখে ব' কারান্ত গালাগালি।
আজকে হঠাৎ ভাবনাগুলো উড়িয়ে দিলাম
মাতুক তারা মেঘের সঙ্গে খুনসুটিতে
আটপৌরে রুটিন থেকে ছুটি নিলাম
কল্পনাকে মাখিয়ে দিলাম সেই ছুটিতে।
ধরো আমি বিরাট কবি সম্মেলনে,
সিংহাসনে বসে স্বয়ং রবিঠাকুর
জীবনানন্দ বসে আছেন ওই ওখানে
দোতারাতে লালন ধরেন সেই চেনা সুর।
নজরুল সেই গানের সাথে গলা মেলান
শক্তি সুনীল বিষ্ণু শোনেন মগ্ন হয়ে
শঙ্খ বিনয় হালকা করে মাথা দোলান
নদী হয়ে লালনগীতি যাচ্ছে বয়ে।
এই সভাতে কোণের দিকে মুখ লুকিয়ে
ওঁচা কবি আর্যতীর্থ আছে বসে
কেউ দেখলেই যাচ্ছে ভয়ে বুক শুকিয়ে
শাস্তি না হয় অনধিকার প্রবেশ দোষে।
লালন থামার পরে ওঠেন স্বয়ং রবি
দুই বাউলে আবদ্ধ হন আলিঙ্গনে
জয়ধ্বনি দিতে থাকেন যতেক কবি
আর্যতীর্থ গলা মেলায় সঙ্গোপনে।
একে একে কবিরা সব পদ্য পড়েন
চেনা লাইন অমৃত হয় গলার স্বরে
নিজের মতো করে শব্দ ভাঙেন গড়েন
আমার শূন্য ঝোলায় ওঠে মানিক ভরে।
.......................................................
এমনি করে আমার ভাবনাগুলো
স্বর্গ নামায় রুটিন ছিঁড়েখুঁড়ে
উড়িয়ে দিয়ে দিনযাপনের ধুলো
মাঝে মাঝেই এমন যাবো উড়ে।
***

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ডাকটিকিট বা স্টাম্প

ডাকটিকিট বা  স্টাম্প                                                        পৃথিবীতে প্রথম কি ভাবে প্রচলন হলো আর কেমন ছিলো  *********...