ব্রেকআপ

অবশেষে আজ সুমিত ব্রেকআপ করে নিলো সুজাতার সাথে।
সুজাতা অনেকদিন ধরেই বুঝতে পারছিলো সুমিত তাকে অবহেলা করছে, ভালো করে কথা বলছে না।
সুজাতা চাপা গলায় কেঁদে ফেললো। দুবছরের বন্ধুত্ব ৩বছরের দুজনার প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা পলকের মধ্য পাল্টে গেলো। সুজাতা কারণ জিগাসা করেনি আর করবেও না ভেবেছে। সুজাতার চোখের জল বলে দিচ্ছে সে সুমিতকে কতোটা ভালোবাসে।
সুমিত শান্ত তার একটা কথা বলে দিয়েছে তার স্বভাব সে কতোটা বাজে বা খারাপ।
সুমিত যখন চলে যাবে পিছন ঘুরেছে তখন সুজাতার সেই পিছু ডাকে থমকে যায় সুমিতের পা। সুজাতা একটা আবদার করে সুমিতের কাছে হয়তো এটাই শেষ আবদার।
কাল সুমিতের সারাটা দিন চায় সুজাতা, পুরোনো জায়গাগুলো ঘুরে দেখতে চায়। হয়তো আর সেভাবে কেউ কারোকে পাবে না তাই শেষ বারের মতো আবার দুজনে পেতে চায়। সুমিত " হ্যাঁ " বলে রাজি হয়।।
~~সেদিন সারা রাত সুজাতা ঘুমাতে পারেনি। একের পর এক কতো কথা ভেবেছে। কলেজে পায়েল ই সুমিতের সাথে প্রথম আলাপটা করিয়ে দেয়।
পরের দিন যখন দুজনে তাদের পুরণো জায়গাতে গিয়ে সেই রকম হবার মিথ্যা চেস্টা করছিলো সুজাতা তখন তার চোখে বারবার জল চলে আসছিলো।
~~একসময় সুমিত দাঁড়ায়ে যায় আর আর বলে "আমি আর পারছিনা চলতে, আমাকে এবার যেতে দাও, দুমাস ধরে নিজেকে তৈরি করেছি যাতে সত্যিটা তোমাকে না বলতে পারি। আমার খুব কস্ট হচ্ছে তোর সাথে হাঁটতে। একটা ক্যান্সার রুগী পারেনা রে এভাবে চলতে, সকালে একবার বমিও করেছি কিন্তু তবুও তোর সাথে দেখা করতে এসেছি কারন যাওয়ার আগে তোর সাথে কাটানো সময়গুলো আমার জীবনের সেরা হয়ে যেনো থাকে। বিশ্বাস কর তোর মনে কস্ট দিতে আমি চাইনি কিন্তু কি করবো তোকে আমি ভালোবাসি আমি চাই তুই যেখানে থাক যার কাছেই থাক ভালো থাক। ওই দূরে আমার এক বন্ধু দাঁড়িয়ে আছে আমাকে আজ আসতে দেবে না বলেছিলো কিন্তু তোর সাথে এই সময়টা কাটিয়ে আমি মরতে চাই রে তাই চলেই এলাম।
~~ সুজাতার চোখ থেকে জল পড়েই যাচ্ছিলো হঠাৎ সুমিতের রক্ত বমি শুরু হয় সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। দূর থেকে বন্ধু সুরোজিৎ ছুটে আসে। সুমিতকে সুজাতা ধরে নেয় আর সে জোরে কেঁদে ওঠে।

~~~মঙ্গল মিদ্যা

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ডাকটিকিট বা স্টাম্প

ডাকটিকিট বা  স্টাম্প                                                        পৃথিবীতে প্রথম কি ভাবে প্রচলন হলো আর কেমন ছিলো  *********...